মাসে ২০ হাজার টাকা আয় করার উপায় - 20k monthly income

মাসে ২০ হাজার টাকা আয় করার উপায় সমন্ধে জেনে আপনি প্রতি মাসে ২০ হাজার টাকা আয় করতে পারবেন। 

মাসে ২০ হাজার টাকা আয় করার উপায়

বর্তমান সময়ে এসে যদি আপনি মাসে ২০ হাজার টাকা আয় করার জন্য চিন্তা করে থাকলে অবশ্যই আপনি মাসে ২০ হাজার কেন, তার থেকেও বেশী ইনকাম করতে পারবেন। সম্মানিত পাঠকবৃন্দ, আজকে আমি আপনাদের সাথে  মাসে ২০ হাজার টাকা আয় করার উপায়- টাকা ইনকাম করার উপায় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করব। তাই আজকের এই পোস্টটি অবশ্যই আপনি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পড়বেন। 

মাসে ২০ হাজার টাকা আয় করার উপায় - 20k monthly income

আমাদের দৈনন্দিন জীবনে চলাচলের জন্য অবশ্যই টাকা পয়সার প্রয়োজন রয়েছে। আমরা বিভিন্ন উপায়ে মাসে ২০ হাজার টাকা ইনকাম করতে পারি। বিভিন্ন পেশায় যুক্ত হয়ে আমরা টাকা আয় করতে পারি। আজকে ২০ হাজার টাকা আয় করবেন যেভাবে সে বিষয় নিয়েই আলোচনা করব। তবে চলুন মাসে বিশ হাজার টাকা আয় করার উপায়গুলো দেখে আসি।

মাসে ২০ হাজার টাকা আয় করার উপায় 

  • মুদি দোকান দিয়ে
  • টিউশনি করে 
  • মুরগির ব্যবসা করে
  • চাকরি করে
  • হকারি করে
  • সিএনজি চালিয়ে
  • গৃহপালিত পশু-পাখি পালন করে
  • শাক-সবজির চাষ করে
  • কাপড়ের ব্যবসা করে
  • চা-কফি বিক্রি করে

মুদি দোকান দিয়ে

দৈনন্দিন জীবনে আমাদের নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের প্রয়োজন হয়। চাল,ডাল,তেল,মশলা থেকে শুরু করে দৈনন্দিন জীবনের সকল নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস পাওয়া যায় একমাত্র মুদি দোকানে। তাই আপনারও কাছে যদি সামান্য পরিমাণ পুজি থাকে তবে মুদি দোকান দিয়ে মাসে ২০ হাজার টাকা আয় করতে পারেন। বর্তমান সময়ে মুদি দোকানের নিত্য প্রয়োজনীয় সকল পন্য বিক্রি করে ভালো পরিমাণ টাকা ইনকাম করা যায়।  

টিউশনি করে

আপনি যদি পড়াশোনায় ভালো হয়ে থাকেন তাহলে টিউশুনি করে মাসে ২০ হাজার টাকা আয় করতে পারেন। আপনি আপনার এলাকায় একটি কোচিং সেন্টার খুলে ভালো ছোট ভাইবোনদের টিউশনি করতে পারেন। এবং মাস শেষে ২০ হাজার টাকার অধিক টাকা আয় করতে পারেন। 

মুরগির ব্যবসা করে 

যদি আপনি মাস ২০ হাজার টাকা আয় করার ইচ্ছা পোষণ করে থাকেন তবে আপনি মুরগির ব্যবসা শুরু করতে পারেন। আপনি কয়েকটি মুরগি বাজার থেকে কিনে নিয়ে বাসায় পালন করা শুরু করলেন এবং কয়েক মাস লালন-পালন করার পর মুরগি যখন ডিম দেওয়া শুরু করবে তখন ডিম বিক্রি করা শুরু করলেন এবং কিছু মুরগি বিক্রি করলেন এতে করে আপনার মাসে ২০ হাজার টাকা ইনকাম করা হয়ে যাবে।

চাকরি করে

মাসে ২০ হাজার টাকা আয় করার অন্যতম সহজ মাধ্যেম হচ্ছে সরকারি কিংবা কোন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করা। সকলের জীবনে ইচ্ছা থাকে একটি সরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করা এবং মাস শেষে হ্যান্ডস্যাম স্যালারি হাতে পাওয়া। তাই আপনিও যদি মাসে অন্ত্যত ২০ হাজার টাকা আয় করতে চান তাহলে আজ থেকেই  সরকারি কিংবা বেসরকারির চাকরির জন্য আবেদন করা শুরু করুন। ইনশাআল্লাহ! আপনার ভালো প্রতিষ্ঠানে কাজ করার সুযোগ হবে। 

হকারি করে

হকারি করেও মাসের বিশ হাজার টাকা সম্ভব। আপনার ব্যবসা করার পুজি যদি একদম কম থাকে তাহলে আপনি কিছু নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস ক্রয় করে গ্রামের রাস্তায় রাস্তায় হকারি শুরু করতে পারেন। এতে আপনার মাস শেষে ভালো পরিমাণ ইনকাম হবে।

সিএনজি চালিয়ে

বর্তমানে সিএনজি বা ইজিবাইক চালিয়েও আপনি প্রতিমাসে ২০ হাজার টাকা ইনকাম করতে পারবেন। তবে সিএনএজি বা এ জাতীয় যানবাহন মেইন রাস্তায় চালানোর জন্য অবশ্যই গাড়ি লাইসেন্স থাকা বাধ্যতামূলক। তাই আপনি যদি সিএঞ্জি চালিয়ে টাকা ইনকাম করতে চান তবে একটি সিএনজি এবং একটি গাড়ির লাইসেন্স ও দক্ষ চালক হয়ে মাসে ২০ হাজার টাকা ইনকাম করতে পারেন। 

গৃহপালিত পশু-পাখি পালন করে

আপনি যদি একজন গৃহিণী কিংবা স্টুডেন্ট হয়ে থাকেন তবে গৃহপালিত পশু-পাখি। যেমনঃ গরু,ছাগল,হাঁস,মুরগী,কবুতর,ভেড়া,মহিষ ইত্যাদি পালন করতে পারেন। এবং এগুলো থেকে আপনি মাসে ২০ হাজার টাকার উৎস বের করতে পারবেন। তাই আপনি অবসর সময় পার না করে এই গৃহপালিত পশু-পাখি পালন করে টাকা আয় করতে পারেন। 

শাক-সবজির চাষ করে

গৃহীনি বা স্টুডেন্টদের জন্য বাড়ি বসে আর একটি অন্যতম আয়ের উৎস হলো মাসে শাক-সবজির চাষ করে। আপনার বাড়ির আশেপাশে যদি খালি কোন জায়গা পড়ে থাকে তাহলে সে জায়গায় ভালো করে পরিষ্কার করে আপনি শাক-সবজির চাষ শুরু করতে পারেন। কয়েক মাস গেলে এই শাক-সবজি বিক্রি করে টাকা আয় করতে পারবেন। 

কাপড়ের ব্যবসা করে

কাপড়ের ব্যবসা করে আপনি অনায়াসে মাসে ২০ হাজার টাকা আয় করতে পারবেন। কাপড়ের ব্যবসা শুরু করতে হলে আপনাকে নূন্যতম কিছু টাকার পুঁজির প্রয়োজন হবে। কেননা এটি এমন একটি ব্যবসা যা শুরুতেই আপনি পুঁজি ছাড়া শুরু করতে পারবেন না। তাই মাসে অনায়াসে ২০ হাজার টাকা আয় করতে চাইলে কাপড়ের ব্যবসা শুরু করতে পারেন। 

চা-কফি বিক্রি করে

যদি আপনি একজন বেকার হয়ে থাকেন তাহলে আপনার নিশ্চয়ই টাকা পয়সার প্রয়োজন হবে। আর এই টাকা পয়সার প্রয়োজন মেটাতে হলে আপনাকে কর্ম করে খেতে হবে। আপনি যদি কোন কাজই খুঁজে না পান তাহলে আপনার একটি উপায় রয়েছে। আর সেটি হলো আপনি চা-কফি বিক্রি করতে পারেন। কম পুঁজিতে এটি লাভ জনক ব্যবসা। আপনি চাইলে চা-কফি বিক্রি করে মাসে ২০ হাজার টাকার বেশী ইনকাম করতে পারেন। 

অনলাইনে মাসে ২০ হাজার টাকা আয় করার উপায় - 20k monthly income

বর্তমানে টাকা আয় করার কথা চিন্তা করলেই আমাদের মাথায় সর্বপ্রথম অনলাইনের কথা চলে আসে। কারণ অনলাইনে বর্তমানে হাজার হাজার টাকা আয় করার সম্ভব হচ্ছ। যদিও আপনার কাজের দক্ষতার উপর অনেক কিছু নির্ভর করছে। অনলাইনে টাকা আয় করার জন্য আপনাকে প্রচুর ধৈর্যশীল হতে এবং বুদ্ধিমত্তার সাথে কাজ করতে হবে। তাহলে আপনি অনলাইন থেকে ২০ হাজার কেন তার থেকেও বেশী ইনকাম করতে পারবেন। নিচে অনলাইনে মাসে ২০ হাজার টাকা আয় করার উপায়গুলো দেখে নিন।

  • ভিডিও এডিটিং করে
  • গ্রাফিক্স ডিজাইন করে
  • ব্লগিং করে
  • ইউটিউবে ভিডিও তৈরি করে
  • কনটেন্ট রাইটিং করে
  • ওয়েব সাইট তৈরি করে
  • মোবাইল অ্যাপ তৈরি করে
  • অনুবাদ পরিষেবা করে 
  • ডিজিটাল মার্কেটিং করে 

ভিডিও এডিটিং করে

বর্তমান সময়ে ভিডিও এডিটিং করে মাসে ২০ হাজার টাকা করা কোন ব্যাপার না। আধুনিক যুগে অনেক কোম্পানি রয়েছে তারা তাদের কোম্পানি প্রচারের জন্য ভিডিও মাধ্যেম বেঁছে নিয়েছে। কারণ ভিডিওর মাধ্যেমে সহজে কোম্পানির প্রচার করা যায়। তাই আপনি যদি একজন দক্ষ ভিডিও এডিটর হয়ে থাকেন তবে নির্দ্বিধায় ভিডিও এডিটিং করতে পারেন। 

গ্রাফিক্স ডিজাইন করে

দক্ষ গ্রাফিক্স ডিজাইনারের কদর সব সময় হয়ে থাকে। বর্তমান যুগে অনেক কোম্পানি রয়েছে যারা তারা তাদের কোম্পানি প্রচারের জন্য গ্রাফিক্স ডিজাইনের প্রডাক্ট ডিজাইন করে প্রচার করছে। তাই আপনিও একজন দক্ষ গ্রাফিক্স ডিজাইনার হয়ে থাকলে গ্রাফিক্স ডিজাইন নিয়ে ফ্রিল্যান্সিং শুরু করতে পারেন। 

ব্লগিং করে

বর্তমানে ব্লগিং পেশাটি জনপ্রিয়তা দিন দিন বেড়েই চলেছে। এখন ব্লগিং করে অনেকেই স্বাবলম্বী হচ্ছে। ব্লগিং করতে আপনার বেশী কিছুর প্রয়োজন হবে না। আপনি যদি বিভিন্ন বিষয়ের উপর লেখালেখির করার দক্ষতা থাকে তাহলে আপনি অনায়াসে ব্লগিং শুরু করতে পারেন। ব্লগিং করার জন্য আপনার প্রয়োজন সৃজনশীলতা এবং লেখালেখির প্রতি অন্যরকম ভালোবাসা। গুগল এডসেন্স কিংবা অন্যন্য সকল মাধ্যেমে আপনি ইনকাম শুরু করতে পারবেন। 

ইউটিউবে ভিডিও তৈরি করে

বর্তমানে অনলাইনে ইনকাম করার সবচেয়ে ভালো মাধ্যেম হলো ইউটিউবে ভিডিও তৈরি করে টাকা আয় করা। আপনি যে বিষয়ে দক্ষ আছেন সেই বিষয়ে ভিডিও তৈরি করে ইউটিউবে আপলোড করতে পারেন। এখন অনেকেই জিজ্ঞাসা করতে পারেন, আমার তো ভালো ক্যামেরা,লাইটিং এসব কিছু নেই তাহলে আমি কি ইউটিউবে ভিডিও বানাতে পারব না। অবশ্যই পারবেন। আপনার হাতে থাকা স্মার্টফোন দিয়েই আপনি সুন্দর সুন্দর ভিডিও তৈরি করতে পারেন। তবে ইউটিউব থেকে টাকা আয় করার জন্য বেশ কিছু শর্ত রয়েছে। আর সেগুলো হলো লাস্ট ১২ মাসের মধ্য আপনার চ্যানেলে ১০০০ সাবস্ক্রাইব ও ৪০০০ ঘন্টা ওয়াচটাইমের প্রয়োজন হবে। তবেই আপনি ইউটিউব থেকে টাকা আয় করার জন্য উপযুক্ত হবেন। 

কনটেন্ট রাইটিং করে

আপনি যদি লেখালেখিতে পারদর্শী হয়ে থাকেন তবে আপনি কন্টেন্ট রাইটিং শুরু করতে পারেন। বিভিন্ন বড় বড় ব্লগিং ওয়েবসাইট রয়েছে যাদের ওয়েবসাইটে প্রচুর পরিমাণে আর্টিকেলের প্রয়োজন হয়। তাই আপনি এসব ব্লগিং ওয়েবসাইটের জন্য কন্টেন্ট লিখে দিতে পারেন। বিনিময়ে তারা আপনাকে ভালো অঙ্কের টাকা দিবে। তাছাড়াও আপনি বিভিন্ন ইউটিউব চ্যানেলের কন্টেন্ট লিখে দিতে পারেন। তারা আপনাকে প্রতি কন্টেন্টের জন্য টাকা দিবে। মাসে ২০ হাজার টাকা আয় করতে চাইলে আপনি কন্টেন্ট রাইটিং শুরু করতে পারেন।

ওয়েবসাইট তৈরি করে

আপনি একজন ওয়েবসাইট ডেভেলপার হয়ে থাকলে মাসে ২০ হাজার টাকা আয় করার আপনার কাছে কোন ব্যাপার না। কারণ একজন ওয়েব ডেভেলপারের চাহিদা অনেক বেশী। তবে অবশ্যই দক্ষ ডেভেলপার হতে হবে তবেই আপনি আপনি ভালো ওয়েবসাইট  তৈরি করতে পারবেন এবং ইনকাম করতে পারবেন। একজন   ওয়েব ডেভেলপারের বাৎসরিক ইনকাম কয়েক হাজার ডলার হয়ে থাকে। 

মোবাইল অ্যাপ তৈরি করে

মোবাইল অ্যাপ তৈরি করেও আপনি কিন্তু মাসে বিশ হাজার টাকা ইনকাম করতে পারেন। এজন্য আপনাকে আগে মোবাইল অ্যাপ কিভাবে তৈরি করতে হয় তা জানা থাকতে হবে। একজন মোবাইল অ্যাপ ডেভেলপারের ইনকাম অনেক বেশী হয়ে থাকে। তাই আপনি যদি একজন মোবাইল অ্যাপ ডেভেলপার হয়ে থাকলে মাসে বিশ হাজার টাকা ইনকাম করতে পারেন। 

অনুবাদ পরিষেবা করে 

আপনি যদি আঞ্চলিক কিংবা আন্তর্জাতিক ভাষার উপর অনেক দক্ষতা থাকে তাহলেই আপনি ঘরে বসে থেকেই ইন্টারনেটের মাধ্যেমে ট্রান্সলেশন  বা অনুবাদ পরিষেবা প্রদান করে মাসে ২০ হাজার টাকার অধিক ইনকাম করতে পারবেন। এই কাজটি করতে আপনাকে কোন ধরনের পুঁজির প্রয়োজন হবে না। শুধুমাত্র আপনার ভাষাগত জ্ঞান ও কম্পিউটার আর ইন্টারনেটের সংযোগের প্রয়োজন হবে। 

ডিজিটাল মার্কেটিং করে 

অনলাইনে টাকা আয় করার জন্য সবচেয়ে বড় মাধ্যেম হলো ডিজিটাল মার্কেটিং করে টাকা আয় করা। ডিজিটাল মার্কেটিং এর কয়েকটি কাজ হলোঃ এসইও, ইমেইল মার্কেটিং, ফেসবুক মার্কেটিং, কন্টেন্ট মার্কেটিং সহ বিভিন্ন কাজ। আপনি ডিজিটাল মার্কেটিং সেবা দিতে পারেন। তাহলে আপনার মাসে ২০ হাজার টাকা আয় হবে এমনকি তার থেকেও বেশী আয় হবে। তবে ডিজিটাল মার্কেটিং এ আপনাকে দক্ষতা অর্জন করতে হবে। 

বহূল জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন ও উত্তর সমূহ 

মাসে ২০ হাজার টাকা আয় করার উপায় নিয়ে আপনার মনে বেশ কয়েকটি প্রশ্ন উঁকি দিতে পারে। তাহলে চলুন জেনে নেই সেই সমস্ত সকল প্রশ্নের উত্তরগুলো। 

কিভাবে কম সময়ে বেশি টাকা আয় করা যায়?

কম সময়ে বেশী টাকা আয় করতে চাইলে আপনাকে যেকোন একটি বিষয়ের উপর ভালোভাবে দক্ষতা অর্জন করতে হবে। আপনি গ্রাফিক্স ডিজাইন, ভিডিও এডিটিং,  ওয়েবসাইট ডিজাইন, এসইও, ডিজিটাল মার্কেটিং এর কাজ ভালো করে শিখতে পারেন এরপর মার্কেটপ্লেসে কাজ করার শুরু করতে পারেন। কিছুদিনের মধ্যেই আপনি কাজ পাবেন এবং অনেক টাকা আয় করতে পারবেন। 

একদিনে ২০ হাজার টাকা কিভাবে পাওয়া যায়?

একদিন ২০ হাজার টাকা পেতে হলে আপনাকে পরিশ্রম করতে হবে কেননা পরিশ্রমের বিকল্প আর কিছুই হতে পারে না। আর যদি আপনার কোন বড় ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থাকে তবে একদিনে আপনি বিশ হাজার টাকা পেতে পারেন। 

শেষ কথাঃ মাসে ২০ হাজার টাকা আয় করার উপায়

উপরোক্ত আলোচনায় আমরা মাসের ২০ হাজার টাকার উপায় সমন্ধে জানতে পারলাম। দেখুন পরিশ্রম ছাড়া টাকা-পয়সা আয় রোজগার করা সম্ভব নয়। আপনি যদি পরিশ্রম না করে অলসতা জীবন-যাপন করে সময় নষ্ট করেন তবে আপনার পক্ষে এক পয়সাও ইনকাম করা সম্ভব নয়। তাই আপনাকে সততার সাথে কাজ করতে হবে। সম্মানিত পাঠক, আজকে আমি আপনাদের সাথে মাসে ২০ হাজার টাকা আয় করার উপায় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছি। যদি এই পোস্টটি আপনার কাছে তথ্যবহুল মনে হয় তবে আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করতে পারেন। ধন্যবাদ। 

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url

বিজ্ঞাপন