রোজা কত তারিখে ২০২৬ -রোজার গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জেনে নিন
রোজা কত তারিখে জেনে রাখা প্রত্যজ মুসলিম নর-নারীর জেনে রাখা আবশ্যক।রমজান মাস এবং রোজা (সাওম) মুসলিম উম্মাহর জীবনে সবচেয়ে পবিত্র ও মহিমান্বিত সময়গুলোর মধ্যে একটি।
প্রতিবছর মুসলিমগণ এই মাসে ইবাদত, দোয়া, কুরআন তেলাওয়াত ও রোজাপালনের মাধ্যমে আত্মা ও মনকে পরিপূর্ণ করে তোলেন। ২০২৬ সালের রোজার সঠিক তারিখ, সময়সূচি, রোজার নিয়ম ও ইবাদত সম্পর্কে বিশদ ব্যাখ্যা নিচে দেওয়া হলো।
রমজান সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত তথ্য
রমজান বা রমযান (আরবি: رمضان উচ্চারণ: রামাদ্বান বা রমজান) ইসলামী বর্ষপঞ্জিকা অনুসারে নবম মাস, যেই মাসে বিশ্বব্যাপী মুসলিমগণ রোজা পালন করে থাকে। এই মাসে রোজাপালন ইসলামের পঞ্চস্তম্ভের মধ্যে তৃতীয়তম ফরয ইবাদত।
রমজান মাস চাঁদ দেখার উপর নির্ভর করে ২৯ অথবা ৩০ দিনে হয়ে থাকে। ইসলামী ক্যালেন্ডার চাঁদের ঘূর্ণনের ওপর ভিত্তি করে নির্ধারিত হয়। এই মাসে প্রত্যেক প্রাপ্তবয়স্ক মুসলিম ব্যক্তির উপর সাওম পালন ফরয, কিন্তু অসুস্থ, গর্ভবতী, ডায়াবেটিক রোগী, ঋতুবর্তী নারীদের ক্ষেত্রে তা শিথিল করা হয়েছে।
রোজার অর্থ ও নিয়ম:
রোজা বা সাওম হল সুবহে সাদিক থেকে সুর্যাস্ত পর্যন্ত সকল প্রকার পানাহার, পানীয় ও ইচ্ছাকৃত খাওয়া-দাওয়া, পঞ্চইন্দ্রিয়ের দ্বারা গুনাহের কাজ ও জীবনাচার থেকে বিরত থাকা। এই ইবাদতের মাধ্যমে মুসলিমগণ আত্মা সুশৃঙ্খল করে সৌন্দর্য ও সমৃদ্ধির দিকে এগিয়ে যায়।
রমজান মাসের অন্যতম খাদ্য্য ঐতিহ্য, লাইলাতুল কদর (রজনী) রাতগুলো, যা কুরআন নাজিলের রাত বলা হয়েছে এবং এটি হাজার মাসের চেয়ে উত্তম সওয়াব প্রদান করে। রমজান মাসের শেষে শাওয়াল মাসের শুরুতে ঈদুল ফিতর উদযাপন করা হয়।
সাহরির নিয়ত (রোজার নিয়ত)
আরবি:
نَوَيْتُ أَنْ أَصُومَ غَدًا مِنْ شَهْرِ رَمَضَانَ هَذِهِ السَّنَةِ لِلَّهِ تَعَالَى
উচ্চারণ:
নাওয়াইতু আন আসূমা গাদান মিন শাহরি রমাদ্বানা হাজিহিস সানাতি লিল্লাহি তাআ’লা।
বাংলা অর্থ:
আমি আল্লাহ তাআলার সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে এই বছরের রমজান মাসের আগামী দিনের রোজা রাখার নিয়ত করলাম।
গুরুত্বপূর্ণ কথা:
- রোজার নিয়ত মুখে বলা বাধ্যতামূলক নয়।
- অন্তরের দৃঢ় সংকল্পই নিয়ত হিসেবে যথেষ্ট।
- তবে মনে স্থিরতা আনার জন্য অনেকেই মুখে উচ্চারণ করে থাকেন।
ইফতারের সময় রোজা ভাঙার দোয়া
হাদিসে বর্ণিত সহীহ দোয়া:
আরবি:
اللَّهُمَّ إِنِّي لَكَ صُمْتُ وَبِكَ آمَنْتُ وَعَلَيْكَ تَوَكَّلْتُ وَعَلَىٰ رِزْقِكَ أَفْطَرْتُ
উচ্চারণ:
আল্লাহুম্মা ইন্নি লাকা সুমতু, ওয়া বিকা আমান্তু, ওয়া ‘আলাইকা তাওয়াক্কালতু, ওয়া ‘আলা রিযক্বিকা আফতারতু।
বাংলা অর্থ:
হে আল্লাহ! আমি আপনার জন্যই রোজা রেখেছি, আপনার প্রতি ঈমান এনেছি, আপনার উপর ভরসা করেছি এবং আপনারই দেওয়া রিজিক দ্বারা ইফতার করলাম।
আরেকটি সহীহ হাদিসের দোয়া (সংক্ষিপ্ত):
আরবি:
ذَهَبَ الظَّمَأُ وَابْتَلَّتِ الْعُرُوقُ وَثَبَتَ الْأَجْرُ إِنْ شَاءَ اللَّهُ
উচ্চারণ:
যাহাবায্ যামা-উ ওয়াবতাল্লাতিল উরূকু, ওয়া সাবাতাল আজরু ইন শা আল্লাহ।
বাংলা অর্থ:
তৃষ্ণা দূর হলো, শিরা-উপশিরা সিক্ত হলো এবং ইনশাআল্লাহ সওয়াব স্থির হলো।
রোজার নিয়ত সম্পর্কে কিছু গুরুত্বপূর্ণ মাসআলা
✔ রমজানের রোজার নিয়ত ফজরের আগে করতে হয়।
✔ রাতে নিয়ত না করলে অনেক আলেমের মতে সেই দিনের রোজা আদায় হবে না (বিশেষত ফরজ রোজা)।
✔ নফল রোজার ক্ষেত্রে সূর্য মধ্যগগনে পৌঁছানোর আগে পর্যন্ত নিয়ত করা যায় (যদি তখনো কিছু না খাওয়া হয়)।
২০২৬ সালের রোজা কত তারিখে?
২০২৬ সালের রোজা (রমজান মাস) শুরু এবং শেষ হওয়ার সম্ভাব্য Gregorian (গ্রেগরিয়ান) তারিখ নিচে তুলে ধরা হলো:
সম্ভাব্য রোজা শুরু:
চাঁদ দেখা সাপেক্ষে রমজান ১৪৪৭ হিজরি আশা করা হচ্ছে ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ সন্ধ্যায় যেটি (রমজান মাসের আগমন) এবং প্রথম দিনের রোজা শুরু হবে ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ (বৃহস্পতিবার)।
সম্ভাব্য রোজা শেষ:
রোজা মাস সাধারণত ২৯ বা ৩০ দিন স্থায়ী হয়। যদি ২৯ দিনে শেষ হয়, তবে শেষ রোজা হবে ১৮ মার্চ ২০২৬; আর যদি ৩০ দিন হয় তবে ১৯ মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত রোজা থাকবে।
সম্ভাব্য ঈদুল ফিতর:
রোজা শেষের পরপরই ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে — সম্ভাব্য ১৯ বা ২০ মার্চ ২০২৬ তারিখে।
মনে রাখবেন: ইসলামী মাসের নির্দিষ্ট শুরু ও শেষের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণ নির্ভর করে স্থানীয় চাঁদ দেখা কমিটির সিদ্ধান্তে, তাই গবেষণা ও গণমাধ্যমের মাধ্যমে চাঁদ দেখা ঘোষণা মনোযোগ দিয়ে দেখুন।
রোজার সময়সূচি ২০২৬- রমজান মাসের ক্যালেন্ডার ২০২৬ -Ramadan Calaender 2026
প্রতি বছরের ন্যায় এবছরও পবিত্র মাহে রমজান অনুষ্ঠিত হবে তাই আমাদের রোজার সময়সূচী জেনে রাখা আবশ্যক। নিচে রোজার সময়সূচি ২০২৬ দেওয়া হলো। আপনার দেখে নিতে পারেন। (নিচের রোজার সময়সূচী সমগ্র বাংলাদেশের জন্য প্রযোজ্য) নিজ জেলার সময়সূচীর জন্য আমাদের ফলো করতে পারেন।
| রোজা | তারিখ | সাহরির শেষ সময় | ফজর শুরু | ইফতারের সময় |
|---|---|---|---|---|
| ০১ | ১৯ ফেব্রুয়ারি | ৫:১২ | ৫:১৫ | ৫:৫৮ |
| ০২ | ২০ ফেব্রুয়ারি | ৫:১১ | ৫:১৪ | ৫:৫৮ |
| ০৩ | ২১ ফেব্রুয়ারি | ৫:১১ | ৫:১৪ | ৫:৫৯ |
| ০৪ | ২২ ফেব্রুয়ারি | ৫:১০ | ৫:১৩ | ৫:৫৯ |
| ০৫ | ২৩ ফেব্রুয়ারি | ৫:০৯ | ৫:১২ | ৬:০০ |
| ০৬ | ২৪ ফেব্রুয়ারি | ৫:০৮ | ৫:১১ | ৬:০০ |
| ০৭ | ২৫ ফেব্রুয়ারি | ৫:০৮ | ৫:১১ | ৬:০১ |
| ০৮ | ২৬ ফেব্রুয়ারি | ৫:০৭ | ৫:১০ | ৬:০১ |
| ০৯ | ২৭ ফেব্রুয়ারি | ৫:০৬ | ৫:০৯ | ৬:০২ |
| ১০ | ২৮ ফেব্রুয়ারি | ৫:০৫ | ৫:০৮ | ৬:০২ |
| ১১ | ০১ মার্চ | ৫:০৫ | ৫:০৮ | ৬:০৩ |
| ১২ | ০২ মার্চ | ৫:০৪ | ৫:০৭ | ৬:০৩ |
| ১৩ | ০৩ মার্চ | ৫:০৩ | ৫:০৬ | ৬:০৪ |
| ১৪ | ০৪ মার্চ | ৫:০২ | ৫:০৫ | ৬:০৪ |
| ১৫ | ০৫ মার্চ | ৫:০১ | ৫:০৪ | ৬:০৫ |
| ১৬ | ০৬ মার্চ | ৫:০০ | ৫:০৩ | ৬:০৫ |
| ১৭ | ০৭ মার্চ | ৪:৫৯ | ৫:০২ | ৬:০৬ |
| ১৮ | ০৮ মার্চ | ৪:৫৮ | ৫:০১ | ৬:০৬ |
| ১৯ | ০৯ মার্চ | ৪:৫৭ | ৫:০০ | ৬:০৭ |
| ২০ | ১০ মার্চ | ৪:৫৭ | ৪:৫৯ | ৬:০৭ |
| ২১ | ১১ মার্চ | ৪:৫৬ | ৪:৫৮ | ৬:০৭ |
| ২২ | ১২ মার্চ | ৪:৫৫ | ৪:৫৭ | ৬:০৮ |
| ২৩ | ১৩ মার্চ | ৪:৫৪ | ৪:৫৭ | ৬:০৮ |
| ২৪ | ১৪ মার্চ | ৪:৫৩ | ৪:৫৬ | ৬:০৯ |
| ২৫ | ১৫ মার্চ | ৪:৫২ | ৪:৫৫ | ৬:০৯ |
| ২৬ | ১৬ মার্চ | ৪:৫১ | ৪:৫৪ | ৬:১০ |
| ২৭ | ১৭ মার্চ | ৪:৫০ | ৪:৫৩ | ৬:১০ |
| ২৮ | ১৮ মার্চ | ৪:৪৯ | ৪:৫২ | ৬:১০ |
| ২৯ | ১৯ মার্চ | ৪:৪৮ | ৪:৫০ | ৬:১১ |
| ৩০ | ২০ মার্চ | ৪:৪৭ | ৪:৪৯ | ৬:১১ |
২০২৬ সালের রোজা কেন এই তারিখে?
ইসলামী ক্যালেন্ডার চাঁদ দেখার উপর ভিত্তি করে চলে। প্রতিটি মাস তখনই শুরু হয় যখন পূর্ববর্তী মাসের শেষ রাতে নতুন চাঁদের ক্রিসেন্ট দৃশ্যমান হয়। তাই রমজান মাসের শুরু নির্ধারণের জন্য বিশেষভাবে মুনসাইটিং (চাঁদ দেখা) করা হয়।
চাঁদ দেখা আর তার তারিখ ভিন্নতার কারণ:
এক দেশ/শহরের সাথে অন্য দেশের চাঁদ দেখা বিভিন্ন হতে পারে। এই জন্য একই রোজা অনেক দেশেই একদিন পার্থক্যের সাথে শুরু হতে পারে। এজন্য স্থানীয় ইসলামিক ফাউন্ডেশন বা মুনসাইটিং কমিটির ঘোষণাই চূড়ান্ত।
বাংলাদেশে ২০২৬ সালের রোজা কত তারিখে?
বাংলাদেশে, গ্রীগরিয়ান ক্যালেন্ডার অনুসারে সম্পূর্ণ সম্ভাব্য ও হিসাব-ভিত্তিক রোজা শুরু হলো:
- প্রথম রোজা: ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ (বৃহস্পতিবার)
- শেষ রোজা: ১৮ বা ১৯ মার্চ ২০২৬ (সোম বা বৃহস্পতিবার)
- ঈদুল ফিতর: সম্ভাব্য ১৯ বা ২০ মার্চ ২০২৬ (শুক্রবার বা শনিবার)
সঠিক ঘোষণা প্রকাশিত হবে বাংলাদেশ ইসলামী ফাউন্ডেশন বা অন্যান্য মুনসাইটিং কমিটির মাধ্যমে। স্থানীয় ঘোষণার প্রতীক্ষা করাই উত্তম।
২০২৪ এবং ২০২৫ সালের রোজা — সংক্ষিপ্ত রেফারেন্স
যদিও তোমার মূল ফোকাস ২০২৬, তবে আগের বছরগুলোর রোজা শুরুর আগস্ট তুলনা করলে:
------------------------------------------------------------
| সাল | সম্ভাব্য রমজান শুরু | সম্ভাব্য শেষ | সম্ভাব্য ঈদ |
------------------------------------------------------------
| ২০২৪ | ১১ মার্চ ২০২৪ | ৯ এপ্রিল ২০২৪ | ১০ এপ্রিল ২০২৪ |
| ২০২৫ | ১ বা ২ মার্চ ২০২৫ | ২৯/৩০ মার্চ ২০২৫ | ৩০/৩১ মার্চ ২০২৫ |
------------------------------------------------------------
এই তুলনা থেকে বোঝা যায় রমজান মাসের সময়টি প্রতি বছর প্রায় ১০-১১ দিন করে অগ্রসর হয়, কারণ লুনার ক্যালেন্ডার সৌর ক্যালেন্ডারের তুলনায় কম দিন নিয়ে গঠিত।
রোজা সম্পর্কে বিস্তারিত ব্যাখ্যা
1. রোজা মানে কি?
রোজা বা সাওম শব্দটি আরবি “সাওম” শব্দ থেকে এসেছে, যার অর্থ হল ধারণ, নিয়ন্ত্রিত থাকা। এটি খাদ্য, পানীয় এবং ব্যভিচারী আচরণ থেকে বিরত থাকা ছাড়া মানবিক ও নৈতিক বশে আত্ম নিয়ন্ত্রণ শেখার একটি ইবাদত।
2. রোজার উদ্দেশ্য
✔ ঈমান ও তাকওয়া বৃদ্ধি
✔ আল্লাহর নৈকট্য অর্জন
✔ গরীব ও দুর্দশাগ্রস্থদের প্রতি সহানুভূতি
✔ আত্মশুদ্ধি এবং ধৈর্য্যশীলতা অর্জন
✔ কুল, পাপ ও ক্ষুদ্র আচরণ নিয়ন্ত্রণ করা
3. রোজা পালন করার সময়সূচি
সেহরি – রাতে ফজর আজানের আগ পর্যন্ত খাবার/পান করার শেষ সময়।
সাওম (রোজা) – ফজর থেকে মাগরিব পর্যন্ত খাদ্য ও পানীয় থেকে বিরত থাকা।
ইফতার – মাগরিবের সাথে রোজা ভাঙা।
4. কারা রোজা রাখবে না?
ইসলামের হুকুম অনুসারে দিব্যমান ওম্মতের কিছু সদস্য — যেমন গুরুতর অসুস্থ ব্যক্তিরা, গর্ভবতী/দুধ পান করানো মায়েদের জন্যে বিশেষ শিথিলতা আছে।
রোজা কত তারিখে ২০২৬ FAQ (প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন)
রোজা ২০২৬ কত তারিখে শুরু হবে?
রোজা সাধারণত ১৮/১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ হতে শুরু হবে, স্থানীয় চাঁদ দেখা সাপেক্ষে।
বাংলাদেশে রোজা ২০২৬ কবে?
ঢাকা ও বাংলাদেশে চাঁদ দেখা হলে ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ হয়তো প্রথম রোজা হবে।
রোজা কত দিন থাকবে?
রোজা সাধারণত ২৯ বা ৩০ দিন স্থায়ী হয়।
ইদুল ফিতর ২০২৬ কবে?
সম্ভাব্য ১৯ বা ২০ মার্চ ২০২৬ তারিখে।
রমজান শেষ কি সময়েই?
চাঁদ দেখা কমিটি যখন শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখে, তখনই রোজা শেষ এবং পরের দিন ইদুল ফিতর উদযাপন করা হয়।
কেন রোজা শুরু এবং শেষের তারিখ ভিন্ন হতে পারে?
কারণ ইসলামী ক্যালেন্ডার চাঁদ দেখা ভিত্তিক — স্থানীয় চাঁদের অবস্থান ও আবহাওয়া বিভিন্ন শহর/দেশে ভিন্ন হওয়ার কারণে তারিখেও পার্থক্য আসে।
উপসংহার:রোজা কত তারিখে ২০২৬
রোজা (রোজা বা সাওম) মুসলিম উম্মাহর জীবনে এক বিশেষ মাহাত্ম্যধারী ইবাদত। ২০২৬ সালে রোজা চাঁদ দেখা’র ভিত্তিতে গতানুগতিক ও সম্ভাব্য হিসেব অনুযায়ী ১৮/১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে শুরু হবে এবং ১৮/১৯ মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত চলবে। বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে স্থানীয় মুনসাইটিং কমিটির ঘোষণা অনুসারে বিভিন্ন তারিখে ছোট পরিবর্তন হতে পারে।
রমজান মাসে রোজা ছাড়াও দোয়া, কুরআন পাঠ, সুরা পড়া, নফল নামাজ ও তাহাজ্জুদ ইবাদত অত্যন্ত গুরুত্বপূ্র্ণ। রোজা শুধু শারীরিকভাবে ক্ষুধা ও তৃষ্ণা থেকে বিরত থাকা নয় — এটি আত্মাকে আল্লাহর নৈকট্য লাভে প্রস্তুত করার মহৎ ইবাদত।


অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url